পুরুষাঙ্গের উত্থান সমস্যা
বেশির ভাগ পুরুষ পুরুষাঙ্গের যথাসময়ে উত্থান না হওয়ার ব্যপারে ডাক্তারের কাছে অভিযোগ করে থাকে। এটা পুরুষদের গুরুতর যৌন সমস্যা। অসংখ্য লোক এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। আমাদের দেশে এই সংখার কোন সঠিক পরিসংখান থাকলেও আমেরিকান পরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রায় এক কোটি লোকের পুরুষাঙ্গের উত্থান জনিত সমস্যা রয়েছে। এটে পুরুষদের একটি সাধারন যৌন সমস্যা। পুরুষাঙ্গ একেবারে উত্থান না হলে সমস্যাটিকে পুরুষত্বহীনতা নামে অভিহিত করা হয়। পুরুষত্বহীনতা হচ্ছে যে কারনে পুরুষাঙ্গের ততটুকু উত্থানের অসামর্থতা যার ফলে সহবাসকালীন স্ত্রীর অঙ্গে সম্পুর্ন প্রবেশ সম্ভব হয়ে ওঠে না। কাউকে পুরুষত্বহীন তখনই বলা যাবে যদি তার উত্থানজনিত সমস্যা যৌন জীবনের ২৫ ভাগ সময়ে দেখা যায়।দ্রুত বীর্যস্খলন পুরুষের একটি বড় সমস্যাঃ
Premature ejaculation যার সঠিক বাংলা অর্থ অপরিণত স্খলন। এটা পুরুষের অতি সাধারণ সমস্যা। এতে সঙ্গমের সূচনার সাথে সাথে খুব তাড়াতাড়ি বীর্য স্খলন ঘটে যায়। পুরুষেরা যৌন সঙ্গমকে যত না যৌনানন্দের উত্স মনে করেন তার চেয়ে বরং নিজের যৌন ক্ষমতাকে পৌরষত্বের প্রতীক বলে মনে করেন। স্বভাবতই এ ক্রিয়াটিতে যখন বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেন না তখন এক কঠিন মর্মপীড়ায় আক্রান্ত হন পুরুষরা। যখন এটি বারবার প্রতিদিন ঘটতে থাকে তখন সে পুরুষের মনের সত্যিকার অবস্থা কেমনটি হয় তা আর বলার দরকার নেই। যারা এ অপরিণত স্খলন সমস্যাগ্রস্থ তাদেরও একদম বিষন্নতাগ্রস্থ হবার কোন কারণ নেই, সমস্যাটি খুব সাধারণ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, জীবনে একটি বারের জন্যও এ সমস্যায় আক্রান্ত হননি এমন পুরুষ পৃথিবীতে জন্ম নেয় নি। আমাদের দেশে অসংখ্য পুরুষ আছে যাদের যৌন ক্ষমতা নেই বলেলই চলে।
বিভিন্ন কারণে যৌনক্ষমতা হ্রাস পায়:
দুঃশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া, স্বপ্নদোষ, গনোরিয়া, সিফিলিস, হস্তমৈথুন, অখাদ্য ভক্ষণ, রোগের পর শারিরীক দুর্বলতার কারণে, চর্মরোগ থাকলে, নিঃসন্তান হলে কিংবা অধিক ছেলে মেয়ে হলে, বংশগত কারণে, মদ্যপান করলে, তলপেট ভারী ও মোটা হলে, বেশ্যালয়ে গমন করলে, মা-বাপের চরিত্র খারাপ হলে। এছাড়া অনিয়মিত অত্যাচার, উপযুক্ত পুষ্টিকর খাদ্যর অভাব, রাতে বেশী খেলে, রতিশক্তি হীনতায়, চর্মরোগ, অশ্ব, কৃমি, বহুমুত্র, উচ্চ রক্তচাপ, প্রভৃতি রোগের কারনেও যৌন দূর্বলতা দেখা দেয়।
যে সকল খাদ্য যৌন ক্ষমতা হ্রাস করেঃ
পাকা বেল, বেলের পাতা, তেতুলের রস, খেসারীর ডাল, ধূমপান, গাজা, ফেন্সিডিল, পুইশাক,
ঢেড়স, মূলা ইত্যাদি।যে সকল খাদ্য ও পথ্য খেলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়ঃ
জিনসেং, অশ্বগন্ধা, খোরমা, খেজুর, মধু, বাদাম, কিসমিস, আলকুশীর বীজ, কালোজিরা, রসুন, পিয়াজ, আদা, ডিম, দুধ, কলা, গাজর, বি-পোলেন, রয়েল জেলী, মিনারেল, কস্তুরী, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই, এমাইন এসিড, গ্লাইসিন, গ্লুকোজ, ১১টি এনজাইম, জিংক ইত্যাদি। যৌন উত্তেজক খাদ্যঃ
স্বাস্থ্যকর খাদ্য বাস্তবিক আপনার যৌন জীবনকে উন্নত করে।এ থেকে আপনি পাবেন পুষ্টি, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ যা আপনাকে যৌন পরিতৃপ্তি দেবে। মধু, দুধ, কালোজিরা, খোরমা, ডিম, গলদা চিংড়ি, মাশরুম, ক্যাভিয়ার, কলিজা, এলাচি, দারুচিনি, আদা, লেবু, সবুজ শাক-সব্জি যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
যৌন অক্ষমতা রোধে মনোবলঃ
স্ত্রী যৌনবতী এবং সুন্দরী হওয়া সত্ত্বেও সঙ্গমে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে। এ কারণে অনেকেরই দাম্পত্য জীবন জটিল হয়ে পড়ে। সাধারনতঃ বিয়ের প্রাথমিক অবস্থায় এরকম হয়ে থাকে। তারপর কিছুদিন অতিবাহিত হলে তা ধীরে ধীরে দীর্ঘস্থায়ী হতে থাকে।
যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে ফলঃ
আম, নারিকেল, ডাব, তরমুজ ও কমলালেবু। যাদের যৌন শক্তি খুবই কম তারা প্রতিদিন বাদাম, চিলগোজা(এক রকমের শুকনো ফল), পেস্তা, আখরোট, খোবাজ্জি, ভাল জাতের আংগুর, আপেল, জাম, পিচফল, কলা, এবং সিজনাল ফল নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে হার্ট ও কিডনির উপকার হবে এবং সেই সঙ্গে প্রজনন ক্ষমতা বাড়বে। মিষ্টি আমের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পায়। পাকা আমের সাথে দুধ খেলে যৌনশক্তি আরও বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ফলের মধ্যে কিসমিস, পাকা ডুমুরের উপকারিতাও কম নয়। জাম, কলা, আপেল, আঙ্গুর এবং খেজুর নিয়মিত খেলে শরীরের সাধারণ শক্তিতো বাড়বেই,তার সঙ্গে ব্রেন, লিভার, হার্ট ও শরীরের অন্যান্য অংগ-প্রত্যংগের জীবনী শক্তিও বাড়বে। যাদের যৌন শক্তি কমে গেছে তারা এতে উপকার পাবেন।
কাঁচা টাটকা ও অল্প সেদ্ধ খাবারঃ
খুব বেশি মোটা হয়ে গেলে পরিপূর্ণ যৌন জীবন থাকে না। তাই আপনি যদি যৌন জীবন দীর্ঘকাল অক্ষুন্ন রাখতে চান তবে ভারী কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাদ্যের পরিবর্তে কাঁচা ও অল্পসেদ্ধ করা পরিমিত খাবার খান।
যৌন অক্ষমতা রোধে জ়িনসেং
১।জিনসেং শরীরের কর্মক্ষমতা ও উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে, মেদ কমায়, শক্তি যোগায়, শরীর সুস্থ ও সবল রাখে।
২।জিনসেং দেহের রক্ত বৃদ্ধিকারক,নিম্নরক্তচাপ ও হ্রদযন্ত্রের দুর্বলতায় ফলপ্রদ।
৩।ইহা মনে প্রফুল্লতা আনে, স্নায়ুকে কার্যকর রাখে বা স্নায়ুবিক দুর্বলতা, যৌন ক্ষমতা রোধে জিনসেং ফলদায়ক।
৪।ইহা দেহের হরমোনাল রসসমূহকে স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখে। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং এ জাতীয় রোগ প্রতিরোধ করে।
যৌন শিক্ষা ও সাধারণ জ্ঞানঃ
গ্রীষ্মপ্রধান দেশে শীতপ্রধান দেশের আগে যৌন চেতনার উন্মেষ ঘটে। কিশোরেরা এ ব্যাপারে কিছু বুঝতে পেরে গভীর ভাবে চিন্তিত এবং বিষন্ন হয়ে পড়ে। অনেকে আবার নিজের শরীরের ওপর অত্যাচার সাধন করে অকালে নিজের জীবন যৌবন ধ্বংস করে দেয়। এজন্য প্রধানত যৌন শিক্ষার অভাবই দায়ী। একজন মানুষের খোদা প্রদত্ত যৌবন আসবে তাতে কোনো ক্ষতি নেই, কিন্তু ঐ মহা নেয়ামতকে কিভাবে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে হবে এ ব্যাপারে যৌন শিক্ষা প্রদান করতেই যত আপত্তি। বর্তমানে বাংলাদেশে বেশ কিছু স্কুলে যৌন শিক্ষা প্রদান করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে অভিভাবকদের অনুমতি গ্রহণ করতে হয়।
দুঃখের বিষয় শিক্ষিত অভিভাবকবৃন্দও এ ব্যাপারে অনুমতি প্রদান করতে ইতস্তত করেন। অথচ যৌন শিক্ষা না থাকায় অসংখ্য তরুণ-যুবকের জীবন ধ্বংস হচ্ছে। আমাদের দেশে ছেলেদের ১২/১৩ বছর বয়সে যৌন শক্তির উন্মেষ ঘটে। যৌন অংগসমূহের আকস্মিক পরিবর্তনে ছেলেরা হতভম্ব হয়ে যায়। স্বপ্নদোষ যার মধ্যে অন্যতম। প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞান মতে দোষের কিছুই নাই। সেই স্বপ্নদোষে ছেলেরা ভীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তারা ভাবতে শুরু করে, এতে শরীরের মূল পদার্থ বেরিয়ে যাচ্ছে। অথচ এটি সম্পূর্ণ অমূলক ধারণা।
ছেলেদের ধারণা ৬০ ফোঁটা দুধ খেলে ১ ফোঁটা রক্ত হয়,আর ৬০ ফোঁটা রক্ত থেকে এক ফোঁটা বীর্য তৈরী হয়,তাই এই বীর্য মহামূল্যবান। স্বপ্নদোষের মাধ্যমে এ মহামূল্যবান পদার্থ শরীর থেকে বেরিয়ে পড়ে। তারা মনে এর ফলে তাদের শরীরের শক্তির অপচয় হচ্ছে, দেহ ক্রমশঃ ভেঙ্গে পড়ছে এবং স্মরণশক্তি কমে যাচ্ছে। বাস্তবেও দুঃশ্চিন্তার ফলে উপরোক্ত ঘটনাগুলো পর্যায়ক্রমে ঘটতে থাকে। যদি কোনো চিকিৎসক রোগীকে বলে আপনার ক্যান্সার হয়েছে,আপনি আর মাত্র ১ মাস বাঁচবেন;তাহলে তাকে ১ মাস কেন ১৫ দিন বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হবে।
হাদিস শরিফে আছে যখন মেয়েদের মাসিক এবং ছেলেদের স্বপ্নদোষ হয় তখন থেকে তারা বালেগ হয়। এতেই বুঝা যায় স্বপ্নদোষের মধ্যে দোষের কিছুই নাই বরং এটা বালেগ এবং সাবালকত্ব প্রাপ্তির একটি নিদর্শন মাত্র। গ্রন্থিতে সর্বক্ষণ শুক্র তৈরী হচ্ছে। যদি স্বপ্নদোষের মাধ্যমে তা প্রাকৃতিক উপায়ে বেরিয়ে না যায় তাহলে কিশোর-তরুণদের মাঝে প্রবল দুর্দমনীয় যৌনস্পৃহা সৃষ্টি হয়। তখন কোনো ভাবে বীর্য বহির্গমন করা ছাড়া উত্তেজনার অবসান হবার কোনই উপায় থাকে না। ফলে কিশোর-তরুনেরা তখন হস্তমৈথুন করে বীর্য বের করে প্রবল যৌন তাড়না থেকে নিজেকে রক্ষা করে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় দেশে যৌন শিক্ষা না থাকায় রাস্তার লেকচারারগণ এখান থেকে ফায়দা হাসিল করছে। তারা উদ্ভট মিথ্যা ও বানোয়াট কথা দ্বারা ছেলেদের বুঝাতে সক্ষম হয় যে, স্বপ্নদোষ ও হস্তমৈথুনের মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে স্ত্রীকে সুখী করতে পারবে না। অজ্ঞ হতাশ তরুণ-যুবকেরা তাদের কথার ফাঁদে পড়ে যায় এবং তাদের কাছ থেকে নানা প্রকার বিষাক্ত অপথ্য কিনে খায় এবং এবার সত্যিকারভাবেই জীবন যৌবন ধবংস করে ছাড়ে। এ সমস্ত রোড লেকচারারগণ বুঝায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে যৌনাঙ্গের রগ বেরিয়ে পড়েছে, রগ ঢিলা হয়ে গেছে। আগা মোটা, গোড়া চিকন হয়ে গেছে। ছেলেরা দেখতে পায় সত্যিই তো তাই, অথচ পুরুষাঙ্গের প্রাকৃতিক আকৃতিগুলো উপর দিয়ে দেখা যাবে এবং স্বাভাবিক আকারই হচ্ছে আগা সামান্য মোটা থাকবে।
যৌনশক্তি বৃদ্ধিকারী খাদ্য ও বিভিন্ন সমস্যার দিকনির্দেশনা পেতে এখানে দেখতে পারেন, আমি দেখেছি। আমার কাছে ভালো লেগেছে, আসা করি আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে। ধন্যবাদ।
ReplyDeleteজেনে নিন কিছু যৌন শক্তি বৃদ্ধিকারী খাদ্য।
http://www.holymessagebd.com/?p=456